হাউজিং ফাইন্যান্সে ঋণসীমা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত: ১:২৮ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৭, ২০২৬ খবর বিজ্ঞপ্তিঃ দেশের আবাসন খাতে ঋণপ্রবাহ আরও গতিশীল করতে এবং নির্মাণসামগ্রীর বর্তমান বাজারমূল্য বাস্তবতায় সমন্বয় আনতে হাউজিং ফাইন্যান্স সংক্রান্ত নীতিমালায় সংশোধন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ভোক্তা অর্থায়নের জন্য প্রণীত প্রুডেনশিয়াল রেগুলেশনের আওতায় রেগুলেশন-২৩ (হাউজিং ফাইন্যান্স) সংশোধন করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ (বিআরপিডি-১) থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়। সার্কুলারে দেশের সকল তফসিলি ব্যাংককে নতুন নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর হাউজিং ফাইন্যান্সে শ্রেণিকৃত ঋণের (Classified Loan) পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে একক গ্রাহকের জন্য সর্বোচ্চ আবাসন ঋণের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। শ্রেণিকৃত ঋণের হার ৫ শতাংশ বা তার কম হলে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত হাউজিং ঋণ নিতে পারবেন। আর শ্রেণিকৃত ঋণের হার ৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ১০ শতাংশ বা তার কম হলে সর্বোচ্চ ঋণসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ কোটি টাকা। তবে শ্রেণিকৃত ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি হলে একক গ্রাহকের জন্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা হবে ২ কোটি টাকা। এছাড়া, হাউজিং ফাইন্যান্স সুবিধা প্রদান ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭০:৩০ (ঋণ:ইকুইটি) অনুপাত বজায় রাখতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতার ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত নিট নগদ প্রবাহ (নেট ক্যাশ ইনফ্লো) থাকা আবশ্যক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ সার্কুলার জারির মাধ্যমে বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৭/২০০৪ এবং এ বিষয়ে পূর্বে জারিকৃত পরবর্তী সার্কুলার ও সার্কুলার লেটারের নির্দেশনা বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে অন্যান্য বিদ্যমান নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (সংশোধিত) এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ সিদ্ধান্ত আবাসন ও রিয়েল এস্টেট খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে সহায়ক হবে এবং মধ্য ও উচ্চ-মূল্যের আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগে গতি আসবে। SHARES অর্থনীতি বিষয়: