
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক সম্মেলন রবিবার (০৩ মে) কক্সবাজারের সায়েমন বিচ রিসোর্টে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
উক্ত সম্মেলনে প্রাধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন কোম্পানীর চেয়ারম্যান জনাব বদরুল আলম খান।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উওপস্থিত আছেন কোম্পানীর ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালক জনাব মোঃ মাইদুল ইসলাম, ব্যাবসা উন্নয়ন কমিটির পৃষ্টপোষোক ও চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সাবেদুর রহমান, পৃষ্টপোষোক জনা মওঃ ইউসুফ আনোয়ার এবং নিরপেক্ষ পরিচালক জনাব আনন্দ চন্দ্র নাহা।
সম্মেলনের সভাপতিত্ব করছেন কোম্পানীর মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব অজিত চন্দ্র আইচ।যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক সম্মেলন রবিবার (০৩ মে) কক্সবাজারের সায়েমন বিচ রিসোর্টে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধি ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে দিনব্যাপী এই সম্মেলন প্রাণবন্ত পরিবেশে সম্পন্ন হচ্ছে।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন কোম্পানির চেয়ারম্যান জনাব বদরুল আলম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালক জনাব মোঃ মাইদুল ইসলাম, ব্যবসা উন্নয়ন কমিটির পৃষ্ঠপোষক ও চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সাবেদুর রহমান, পৃষ্ঠপোষক জনাব মোঃ ইউসুফ আনোয়ার এবং নিরপেক্ষ পরিচালক জনাব আনন্দ চন্দ্র নাহা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জনাব অজিত চন্দ্র আইচ।
সম্মেলনের শুরুতেই অতিথিদের শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং কোম্পানির সার্বিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। এতে গত বছরের ব্যবসায়িক সাফল্য, চ্যালেঞ্জ এবং অর্জনসমূহ তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি দেশের বীমা খাতে যমুনা লাইফের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে হলে দক্ষতা, সততা ও আন্তরিকতার বিকল্প নেই। তারা মাঠপর্যায়ের কর্মীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান এবং গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ, নতুন পলিসি উদ্ভাবন এবং গ্রাহকদের আস্থা অর্জনের ওপর জোর দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ইতোমধ্যে বীমা খাতে একটি বিশ্বাসযোগ্য নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই অবস্থান ধরে রাখতে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি কর্মীদের পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা এবং দায়িত্ববোধ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ২০২৬ সালে কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ এবং তা অর্জনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিরাও বক্তব্য প্রদান করেন। তারা বলেন, প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে হলে প্রতিটি স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে কর্মরত প্রতিনিধিদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে। তারা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় উদ্ভাবনী চিন্তাধারা এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী কর্মী ও কর্মকর্তাদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়। ২০২৬ সালে সর্বোচ্চ ব্যবসা অর্জনের লক্ষ্যে কীভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সফল কর্মীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয় এবং নতুনদের অনুপ্রাণিত করতে বিভিন্ন উদাহরণ উপস্থাপন করা হয়।
সবশেষে, যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সার্বিক উন্নয়ন, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যে সকলকে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সম্মেলনটি কোম্পানির ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
