বিশেষ প্রতিনিধি : বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) বীমা পলিসি ইস্যুর ক্ষেত্রে ট্যারিফ রেট লঙ্ঘন এবং ইস্যুকৃত সকল পলিসির তথ্য আইআইএমএস’কে প্রদান না করায় প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে।
কোম্পানিটিকে বীমা আইন ২০১০ এর ১৩০ ধারা অনুসারে এই জরিমানা করা হয়। ১০ কার্যদিবসের মধ্যে পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বরাবর জরিমানার অর্থ পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের পরিচালক (আইন) মোহা. আব্দুল মজিদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সোমবার (২৭ জানুয়ারি) প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাকে দেয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বীমা আইন, ২০১০ এর ধারা ১৭ মোতাবেক কর্তৃপক্ষের সেন্ট্রাল রেটিং কমিটি (সিআরসি) কর্তৃক নির্ধারিত ট্যারিফ রেট অনুসরণ করে সকল নন-লাইফ বীমা কোম্পানির ব্যবসা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অথচ প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের প্রধান কার্যালয় পরির্দশন করে কোম্পানিটির ২০২২ সালে ইস্যুকৃত পলিসিসমূহ থেকে দ্বৈবচয়নে বাছাইকৃত ৫৮টি পলিসির মধ্যে ৫টি পলিসির ক্ষেত্রে ট্যারিফ রেটে ব্যবসা না করে কম রেটে ব্যবসা করার সত্যতা পাওয়া গেছে। যা বীমা আইন, ২০১০ এর ১৭ ধারার লঙ্ঘন। এর প্রেক্ষিতে আইনের ধারা ১৩০ মোতাবেক প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরদিকে ২০২০ সালের ৫ মার্চ কর্তৃপক্ষের জারিকৃত নির্দেশনা মোতাবেক ১ নভেম্বর ২০১৯ পরবর্তী সকল পলিসির তথ্য কর্তৃপক্ষের আইআইএমএস (সাবেক ইউএমপি) এ প্রেরণের নির্দেশনা প্রদান করা হয় কিন্তু প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পরিপালনে ব্যর্থ হয়। কোম্পানিটি কোন তথ্য সরবরাহ করে নাই।
২০২২ সালে ইস্যুকৃত সকল পলিসির তথ্য আইআইএমএস (সাবেক ইউএমপি) কে প্রদান না করায় কর্তৃপক্ষ প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে আরও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেন নাই।