পরিবেশ মন্ত্রীকে আইডিআরএর শুভেচ্ছা, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বীমা খাতের সহযোগিতার অঙ্গীকার প্রকাশিত: ৯:৫৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ এম হোসাইন আহমদ, বিশেষ প্রতিবেদকঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু-কে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে আইডিআরএ চেয়ারম্যান ড. এম আসলাম আলম মন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দেশের পরিবেশ সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় বীমা খাতের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষই মত দেন যে, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হওয়ায় পরিবেশবান্ধব নীতি ও আর্থিক সুরক্ষা ব্যবস্থার সমন্বিত প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে বীমা খাত দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন, কৃষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা এবং জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় কার্যকর সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। আইডিআরএ প্রতিনিধিদল উল্লেখ করেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও ঝুঁকি বিশ্লেষণভিত্তিক বীমা পণ্য চালুর মাধ্যমে পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং জনগণের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। চেয়ারম্যান তাঁর বক্তব্যে বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। সঠিক নীতিমালা ও কার্যকর তদারকির মাধ্যমে বীমা শিল্পকে এমনভাবে গড়ে তোলা প্রয়োজন, যাতে তা জলবায়ুজনিত দুর্যোগের ক্ষতি কমাতে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাস্তব ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আরও বলেন, পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ ও সবুজ অর্থায়নে বীমা খাতকে সম্পৃক্ত করা গেলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হবে। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আইডিআরএর উদ্যোগ ও পরিকল্পনার প্রশংসা করে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি সব খাতকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি বিশেষভাবে বীমা খাতকে গবেষণাভিত্তিক পরিকল্পনা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্য বীমা সেবা চালুর আহ্বান জানান। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতির লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ ভবিষ্যতে জলবায়ু সহনশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের উন্নয়ন যাত্রাকে আরও বেগবান করবে। SHARES অর্থ নিউজ বিষয়: