বাংলাদেশের সকল নাগরিক এবং সম্পদ বীমার আওতায় আনার উদ্যোগ
খবর বিজ্ঞপ্তিঃ ১৯ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে জনাব অমল কৃষ্ণ মন্ডল-এর সভাপতিত্বে" বাংলাদেশের সকল নাগরিক এবং সম্পদ বীমার আওতায় আনায়ন"-এর লক্ষ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ খালেদ হোসেন (যুগ্ম সচিব) স্বাস্থ্য বীমা, সরকারী ভবনে বীমা, যানবাহন ও চালকের বীমা, শিক্ষা বীমা, শ্রমিকদের জন্য বীমা, কৃষি, মৎস ও প্রাণিসম্পদ-এর বীমা, গ্রামীণ রাস্তা, ব্রীজ ও মহাসড়কে বীমা, দুর্যোগের হাত হতে রক্ষায় বীমা এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের বীমার প্রয়োজনীয়তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। সভায় উপস্থিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ, সরকারী/বেসরকারী বীমা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও উপস্থিত সদস্যবৃন্দ তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেন।
উক্ত সভায় বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জনাব নাসির উদ্দিন আহমেদ (পাভেল) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন "সোমালিয়া, আফগানিস্থান ও সাউথ সুদান ব্যতিত পৃথিবীর সকল দেশে থার্ডপার্টি মটর বীমা চালু রয়েছে। যা বাংলাদেশে বর্তমানে বন্ধ। অনতিবিলম্বে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে হলেও থার্ডপার্টি মটর বীমা চালু করা অতিবজরুরী। বাংলাদেশ রেলওয়ে, মেট্রোরেল ও নৌপথে প্রতিদিন লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ যাতায়াত করে। সরকারী ও বেসরকারীভাবে এ সকল গণপরিবহন ও যাত্রীদের সুরক্ষায় বীমা চালু করা আবশ্যক। কৃষকদের বীমা সুবিধা দেওয়ার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশের ন্যায় সরকারী উদ্যোগে একটি কৃষি বীমা কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। প্রবাসী কর্মীদের জন্য চালুকৃত বীমা করার এখতিয়ার বর্তমানে শুধুমাত্র জীবন বীমা কর্পোরেশনের রয়েছে। বর্তমানে এই সুযোগ সকল বীমা কোম্পানীর জন্য উন্মুক্ত করা উচিৎ। সকল ব্যাংক, বীমা কোম্পানী, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং পুঁজিবাজার সম্পর্কিত সকল প্রতিষ্ঠানের কর্মরত কর্মকর্তাদের স্বাস্থ্য ও জীবন বীমার আওতায় আনা প্রয়োজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় দেশের সকল সরকারী ও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আনা যেতে পারে। শ্রম আইন অনুযায়ী কলকারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের গ্রুপ বীমা আওতায় আনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যা সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে শ্রম আইনের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সিটি কর্পোরেশনসমূহে অবস্থিত মাঝারী ও বৃহৎ শপিং মলের দোকানসমুহে ফায়ার ইন্স্যুরেন্স থাকা বিশেষ প্রয়োজন"।