বিদেশি লাইফ বীমা কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের ব্যয়সীমা নির্ধারণ করছে আইডিআরএ

প্রকাশিত: ৪:৪৩ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বীমা খাতে ব্যবসা পরিচালনা করা বিদেশি লাইফ বীমা কোম্পানি নিট প্রিমিয়াম আয়ের সর্বোচ্চ ৩% খরচ করতে পারবে প্রধান কার্যালয়। এমন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে মতামত চেয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) । আগামী ৭ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজন, বিশেষজ্ঞ এবং জনসাধারণকে এ বিষয়ে মতামত পাঠাতে বলা হয়েছে।

সোমবার (১৮ জুন) কর্তৃপক্ষের পরিচালক (আইন) মোহা. আবদুল মজিত স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বিআইএ, বিআইএফ এবং ইন্স্যুরেন্স একাডেমিসহ মেটলাইফ বাংলাদেশ এবং লাইফ ইন্স্যুরেন্স করপোরেশন (এলআইসি) অব বাংলাদেশ লিমিটেডকে পাঠানো হয়েছে।

আইডিআরএ বলছে, বীমা আইন ২০১০ এর ৬২ ধারার ব্যাখ্যা অংশে বীমা কোম্পানির মূল ব্যবসাস্থল বাংলাদেশের বাইরে থাকলে বীমা কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের ব্যয়ের যথাযথ অংশ নির্ধারণ করার কথা বলা হয়েছে। বিধিমালায় এ সংক্রান্ত বিধান না থাকায় বিষয়টি নিরসনের লক্ষ্যে একটি সংশোধনী প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে।

এই প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বিধিমালার প্রস্তুতকৃত সংশোধন খসড়া বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজন, বিশেষজ্ঞও জনসাধারণের সুচিন্তিত আগামী ৭ জুলাই ২০২৫ তারিখের মধ্যে সফটকপি (মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নিকষ ফন্টে) এবং হার্ডকপি (পিডিএফ) বর্ণিত ই-মেইলে (officerlaw@idra.org.bd, nupur88102@gmail.com) প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

আইডিআরএ’র চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, উল্লেখিত দু’টি ই-মেইল ব্যতিত সরাসরি হার্ডকপি গ্রহণযোগ্য নয়। এ ছাড়াও বর্ণিত তারিখের মধ্যে ই-মেইলে মতামত প্রেরিত না হলে এ বিষয়ে কারো আপত্তি বা মতামত নাই মর্মে গণ্য করা হবে এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

বিদেশি বীমা কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের ব্যয়ের সীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ‘লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণী বিধিমালা, ২০২০’ এর প্রস্তাবিত সংশোধনীতে যা বলা হয়েছে-

“৪। বীমাকারীর মূল ব্যবসাস্থল বাংলাদেশের বাহিরে থাকিলে সেক্ষেত্রে প্রধান কার্যালয়ের ব্যয় বীমাকারীর লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট বৎসরের নীট প্রিমিয়াম আয়ের সর্বোচ্চ ৩% (তিন শতাংশ) পর্যন্ত করা যাইবে।

তবে শর্ত থাকে যে, প্রধান কার্যালয়ের এ ব্যয়ের সীমা বিধি ৩ এ নির্ধারিত ব্যয় সীমার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য হইবে এবং তাহা কোন অবস্থাতেই বিধি ৩ এ বর্ণিত সীমার অতিরিক্ত হিসেবে গণ্য হইবে না।

আরও শর্ত থাকে যে, এ বিধিতে নির্ধারিত প্রধান কার্যালয়ের ব্যয় বিদেশে প্রেরণের পূর্বে ব্যয়ের যৌক্তিকতাসহ পূর্ণাঙ্গ বিবরণী দাখিলপূর্বক কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।”