
বিশেষ বিজ্ঞপ্তি : গ্রাহকদের আস্থা, কর্মীদের নিরলস পরিশ্রম এবং শরিআহ্ভিত্তিক সেবার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের ফল হিসেবে বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ২০২৫ সালে ১০০ কোটি টাকা প্রিমিয়াম সংগ্রহের ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। এই অর্জন উপলক্ষ্যে রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার কারওয়ান বাজারের টিসিবি অডিটোরিয়ামে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এম. এম. মনিরুল আলমের সভাপতিত্বে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোঃ জসিম উদ্দিন, প্রেসিডেন্ট, সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এসসিসিআই)। তিনি বলেন, “এই অর্জন শুধু একটি সংখ্যা নয়; এটি বিশ্বাস, নৈতিকতা ও টেকসই ব্যবসার প্রতিফলন।” তিনি কোম্পানির ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা ও ইসলামি জীবন বীমা খাতে অবদানের জন্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আমিন হেলালী, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ ও শেয়ারহোল্ডারগণ। পাশাপাশি কোম্পানির বিভিন্ন সংগঠন প্রধান ও প্রকল্প প্রধানগণ, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ৩০০-এরও বেশি উন্নয়ন কর্মকর্তা ও কর্মী এবং কোম্পানির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এই আনন্দ উদযাপনে শরিক হন।
চেয়ারম্যান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “১০০ কোটি টাকার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে আমাদের গ্রাহকদের আস্থা, মাঠপর্যায়ের কর্মীদের ঘাম ঝরানো পরিশ্রম এবং একটি ঐক্যবদ্ধ টিমের নিরলস চেষ্টা।” তিনি ভবিষ্যতেও স্বচ্ছতা, মানবিকতা ও শরি’আহ্ নীতি অনুসরণ করে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড-এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা তাঁর বক্তব্যে এই অর্জনের সাথে সম্পৃক্ত সকল স্টেক হোল্ডারগণের প্রতি, বিশেষ করে আইডিআরএ, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ, শরি’আহ্ সুপারভাইজরি বোর্ড, উন্নয়ন কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপনা টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এই অর্জনকে সকলের সম্মিলিত নিরলস পরিশ্রম ও একাগ্রতার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়াও এই উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কোম্পানির সকল সংগঠন প্রধান ও প্রকল্প প্রধানগন।
আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও প্রত্যয়ের আবহে উদযাপন অনুষ্ঠানটি শেষ হয় এই অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে যে, বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড মানুষের হালাল আর্থিক সঞ্চয় ও নিরাপত্তাসহ ও পরিবারকেন্দ্রিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে কাজ করে যাবে।