বছরে ৮ বিলিয়ন ডলারের সুযোগ হারানোর ঝুঁকিতে বাংলাদেশ প্রকাশিত: ৮:১৬ অপরাহ্ণ, মে ১১, ২০২৬ নিজস্ব প্রতিনিধি : তিনি আরও বলেন, যদিও কিছু নীতি নির্দেশিকা চালু করা হয়েছে, তবে বর্জ্য ব্যবহারের জন্য একটি স্পষ্ট জাতীয় নীতি এবং বাস্তবায়ন কাঠামোর অভাব এখনো রয়ে গেছে। বর্জ্য সংগ্রহ, বাছাই এবং রিসাইক্লিং যাচাই করার জন্য বর্তমানে পাইলট প্রকল্প চলছে। তবে বাংলাদেশের টেক্সটাইল বর্জ্যের মাত্র সামান্য একটি অংশ আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে রিসাইকেল করা হচ্ছে। একই উদ্বেগ প্রকাশ করে বিজিএমইএ এর সহ-সভাপতি বিদ্যা অমৃত খান বলেন, তৈরি পোশাক খাতের সম্পূর্ণ বর্জ্য রিসাইকেল করা সম্ভব হলে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের বৃত্তাকার অর্থনীতি তৈরি হতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশ তুলা-ভিত্তিক পোশাকের বর্জ্যের ৩০ শতাংশ পর্যন্ত রিসাইকেল করতে পারে, যার মূল্য কয়েক মিলিয়ন ডলার। তবে এই বর্জ্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ভারত ও পাকিস্তানে রপ্তানি করা হয় এবং পরবর্তীতে সেগুলো আবার রিসাইকেল করা সুতা হিসেবে আমদানি করা হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১৭টি কারখানা পাইলট প্রকল্পের আওতায় কাজ করছে, যার আনুমানিক মূল্য কয়েকশ মিলিয়ন ডলার। সেমিনারে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা যাই হোক না কেন, দেশটিকে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, রিসাইক্লিং ক্ষমতা এবং পরিবেশবান্ধব দক্ষতা বাড়াতে হবে। তিনি ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েনের আহ্বান উল্লেখ করে বলেন, আমাদের ‘পণ্য নাও-বানাও-ফেলে দাও’ মডেল থেকে সরে এসে পুনর্ব্যবহার এবং স্থায়িত্বের দিকে যেতে হবে। রিসাইক্লিং, বিকল্প উপকরণের ব্যবহার এবং সম্পদের দক্ষ ব্যবহারের মতো পদ্ধতিগুলো খরচ কমাতে পারে এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে পারে। টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের বিষয়ে তিনি বলেন, এর বিশাল পরিধি এবং বর্জ্যের পরিমাণের কারণে এটি অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বছরে ৫০ লাখ টনের বেশি টেক্সটাইল বর্জ্য উৎপাদন করে, যেখানে বাংলাদেশ উৎপাদন করে প্রায় ৬ লাখ টন। তিনি এলডিসি পরবর্তী সময়ে ইইউ বাজারে নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে অগ্রিম পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। SHARES অর্থনীতি বিষয়: