পাঁচ বছরে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের লক্ষ্য ৬৩৪ কোটি ডলার প্রকাশিত: ৩:১৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০২৬ নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশে আগামী পাঁচ বছরে জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগ ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ৬৩৪ কোটি ডলারে উন্নীত হওয়ার প্রত্যাশা করছে জাপান। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশে দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের রাজধানী টোকিওতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়। যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভাব্য বিনিয়োগ আগামী পাঁচ বছরে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েনে পৌঁছাতে পারে। এ বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে জাপানি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ বাড়াতে অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন দুই দেশের সরকারপ্রধান। বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত কার্যকর করার বিষয়ে একমত হন দুই প্রধানমন্ত্রী। গত ৬ ফেব্রুয়ারি টোকিওতে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এর মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো, শিল্পের বহুমুখীকরণ এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ সহজ করার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এ ছাড়া দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয় (বিগ-বি) সম্প্রসারণ করে ‘বিগ-বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ নামে নতুন কাঠামো চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আওতায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক যোগাযোগ, শিল্প, জ্বালানি ও সরবরাহব্যবস্থা উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। বৈঠকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া এবং মেট্রোরেল নির্মাণকাজ ত্বরান্বিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়। জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা বাড়াতে জাপানের ৫০ বিলিয়ন ইয়েনের জরুরি সহায়তা ঋণের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন দুই প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে কর, শুল্ক, লাইসেন্স প্রদান ও লভ্যাংশ প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং স্বচ্ছতা বাড়ানোর বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকারের কথা যৌথ ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। News PhotoCard SHARES অর্থনীতি বিষয়: