নীলফামারীর নতুন পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খাঁন অভিজ্ঞ ও দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তার আগমনে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নের প্রত্যাশা

প্রকাশিত: ৭:০৮ অপরাহ্ণ, মে ৭, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নীলফামারী জেলার নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিসিএস ২৮তম ব্যাচের চৌকস কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন খাঁন। এর আগে তিনি শিল্পাঞ্চল পুলিশে পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁর এই বদলি ও নতুন কর্মস্থলে নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ ও সৎ কর্মনিষ্ঠার জন্য পুলিশ বাহিনীতে ইতোমধ্যে তিনি একজন দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। মো. ফরহাদ হোসেন খাঁন ২০১০ সালের ১ ডিসেম্বর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ও দায়িত্বপূর্ণ পদে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
দীর্ঘ ১৩ বছরের কর্মজীবনে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জনসেবা নিশ্চিতকরণ এবং আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর সততা, পেশাদারিত্ব ও মানবিক আচরণ সহকর্মী এবং সাধারণ মানুষের কাছেও প্রশংসিত হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৩ সালের ৬ নভেম্বর তিনি পুলিশ সুপার (এসপি) পদে পদোন্নতি লাভ করেন।
নীলফামারীর নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে তাঁর নিয়োগে জেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, তাঁর নেতৃত্বে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুসংহত হবে এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম নতুন মাত্রা পাবে। বিশেষ করে মাদক, কিশোর গ্যাং, চুরি-ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এছাড়াও নাগরিক সেবা সহজীকরণ, পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করার ক্ষেত্রেও তাঁর কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, খুব শিগগিরই তিনি নীলফামারীতে যোগদান করে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তাঁর আগমনে জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস।