মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত হবে না: বিএসইসি চেয়ারম্যান প্রকাশিত: ৬:৪০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০২৬ নিজস্ব প্রতিবেদক : মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা পর্যালোচনা ও সংশোধনের ক্ষেত্রে কোনো অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান। তিনি বলেন, বিধিমালা সংশোধনে অংশীজনদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচুয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০২৫’ পর্যালোচনা নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার বিএসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় বিএসইসির সদস্য ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল), মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি, সম্পদ ব্যবস্থাপক ও কাস্টোডিয়ান প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। মাসুদ খান বলেন, দেশের পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল, টেকসই ও বিনিয়োগবান্ধব করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি। শুধু ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ওপর নির্ভর করে পুঁজিবাজারের কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে মিউচুয়াল ফান্ড খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আরও বলেন, মিউচুয়াল ফান্ড খাতের উন্নয়ন ছাড়া পুঁজিবাজারে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন কঠিন। তাই এ খাতের বিকাশের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণেও গুরুত্ব দিতে হবে। পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে বিনিয়োগ শিক্ষা ও আর্থিক সাক্ষরতার ওপরও গুরুত্ব দেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। বিনিয়োগকারীদের আর্থিক জ্ঞান, সচেতনতা ও সঠিক বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে বিএসইসি, পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীজনকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিউচুয়াল ফান্ড খাতের উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও বাজারবান্ধব করতে বিধিমালাটি পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভায় বিএসইসির ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান নির্বাহী পরিচালক মো. মাহমুদুল হক বিধিমালার বিভিন্ন দিক নিয়ে উপস্থাপনা করেন। এতে বিদ্যমান বিধিমালা, সম্ভাব্য সংশোধন ও পরিবর্তনের ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরা হয়। পরে অংশীজনেরা বিভিন্ন বিষয়ে মতামত, পরামর্শ ও সুপারিশ দেন। এসব মতামতের ভিত্তিতে বিধিমালাকে আরও কার্যকর ও বাস্তবসম্মত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। News PhotoCard SHARES অর্থনীতি বিষয়: