সোনালী ব্যাংকের এমডি শওকত আলী খানের নিয়োগ বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার

প্রকাশিত: ১:২৪ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০২৬

এম হোসাইন আহমদ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ সোনালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এমডি ও সিইও) হিসেবে মো. শওকত আলী খানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

রবিবার (২৬ অক্টোবর) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন মহল তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা আদেশের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শওকত আলী খানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেই আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

প্রজ্ঞাপনটি জারির পর ব্যাংকসংশ্লিষ্টদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, একজন অভিজ্ঞ ব্যাংকার হিসেবে মো. শওকত আলী খানের দক্ষতা, পেশাগত অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে সোনালী ব্যাংকের অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, ব্যাংকিং খাতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সোনালী ব্যাংককে আরও শক্তিশালী, আধুনিক ও গ্রাহকবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। পাশাপাশি সুশাসন নিশ্চিত করা, গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন, ঋণ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, খেলাপি ঋণ আদায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে ব্যাংকটির সক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তাঁরা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে সোনালী ব্যাংকের রয়েছে দেশের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। এ অবস্থানে ব্যাংকটির কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা, আমানতকারীদের আস্থা আরও সুদৃঢ় করা এবং পেশাদার ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মো. শওকত আলী খানের নেতৃত্বে সোনালী ব্যাংক আগামী দিনে উন্নয়ন, দক্ষতা ও সেবার মানে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা। তাঁদের আশা, তাঁর অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতার সমন্বয়ে ব্যাংকটি আর্থিক খাতে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় আরও কার্যকর অবদান রাখবে।