স্ক্র্যাপের নামে ব্যবহারযোগ্য পণ্য আমদানি করলে কঠোর ব্যবস্থা

প্রকাশিত: ৩:৪৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

ফারজানা ফারাবী : স্ক্র্যাপ ঘোষণা দিয়ে পুনর্ব্যবহারযোগ্য বা ব্যবহারযোগ্য অন্য পণ্য আমদানি করা হলে আমদানিকারকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনার পর গত ৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে এনবিআর। বোর্ডের দ্বিতীয় সচিব (কাস্টমস: নীতি) রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ এবং এর আগের আমদানি নীতি আদেশে স্ক্র্যাপ আমদানির বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে প্রকৃত ব্যবহারকারী হিসেবে স্বীকৃত শিল্পপ্রতিষ্ঠান তাদের আমদানি স্বত্ব অনুযায়ী শ্রেণিবিন্যাসযোগ্য সব এইচএস কোডের আওতায় ওয়েস্ট অ্যান্ড স্ক্র্যাপ আমদানি করতে পারবে।

তবে কিছু আমদানিকারক স্ক্র্যাপ ঘোষণা দিয়ে পুনর্ব্যবহারযোগ্য অন্য পণ্য আমদানি করছেন বলে এনবিআরের নজরে এসেছে। এসব পণ্য কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আটক করার পর তা খালাসের জন্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন করা হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে নতুন করে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর। পরিপত্রে বলা হয়েছে, এখন থেকে বলবৎ আমদানি নীতি আদেশের এইচএস হেডিং ৭২.০৪-এর আওতায় শ্রেণিবিন্যাসযোগ্য স্ক্র্যাপ ছাড়া অন্য কোনো পণ্য আমদানি করা যাবে না। অর্থাৎ পুনর্ব্যবহারযোগ্য বা ব্যবহারযোগ্য কোনো পণ্য স্ক্র্যাপ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা যাবে না।

কোনো আমদানিকারক আমদানি নীতি আদেশের ব্যত্যয় ঘটিয়ে স্ক্র্যাপ ঘোষণায় ব্যবহারযোগ্য অন্য পণ্য আমদানি করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত কাস্টমস আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে এনবিআর।