হলুদ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর পক্ষে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ৮:২৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৯, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাম্প্রীতিক গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বেস্ট লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেড এর কার্যালয়ে কতিপয় সাংবাদিক ঢুকে উপস্থিত কর্মীদের ছবি এবং ভিডিও ধারন করে অসামাজিক কার্যকলাপের দায় দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেন, কতিপয় একদল হলুদ সাংবাদিক, বিষয়টি বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের নজরে আসলে তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ এবং ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়, এ বিষয়ে অদ্য ৮/১১/২০২৫ গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলন ডাকা হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গাইবান্ধা জোনের ইনচার্জ এবং প্রতিষ্ঠানটির এজেন্সি ডিরেক্টর জনাব মোঃ শহিদুজ্জামান, তার বক্তব্যে বলেন আমি গত ০৪/ ১১/২০২৫ গোবিন্দগঞ্জ অফিসে আনুমনিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের সময় আমার চেম্বারে বসা অবস্থায় দুইজন ভদ্রলোক অফিসে ঢোকেন এবং আইডি কার্ড দিয়ে ডিপিএস চালু করার কথা বলেন, আমি যাচাই করে দেখি আইডি কার্ড দুটি ভুয়া এবং এই আইডিতে কোন ডিপিএস বা বীমা এই প্রতিষ্ঠানে হবে না বলে জানিয়ে দেই,সাথে সাথে উক্ত দুই ব্যক্তি উপস্থিত কর্মীদের ছবি তোলেন এবং ভিডিও ধারণ করতে থাকেন, তারা নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন, এক পর্যায়ে এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় বলে চিৎকার শুরু করেন, এবং এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং স্থানীয় কিছু সাংবাদিক সেখানে ডেকে আনেন, এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের ভিতর হাতাহাতি কিল ঘুসাকুসি শুরু হলে মেয়েদের হাতে থাকা ব্যাগ চিনিয়ে নেয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন, কোন উপায় না পেয়ে ইনচার্জ অফিসের গেট আটকিয়ে দেন এবং ৯৯৯ ফোন দিলে গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ এসে অফিসের ভিতর সকল কর্মী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের থানায় নিয়ে যান,গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) থানায় বসে উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা শেষে ইনচার্জ সহ কর্মীদের ছেড়ে দেন, কিন্তু দুঃখের বিষয় এই বিষয়টি নেগেটিভ এবং অসামাজিক কার্যকলাপ দেখিয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুক ,ইউটিউব চ্যানেলে ছেড়ে দেওয়া হয়, যা উক্ত অফিসের কর্মী কর্মকর্তা এবং বেস্ট লাইফের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়, জনাব শহীদুজ্জামান আরো বলেন বেস্ট লাইফ ইন্সুরেন্স একটি বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা ২০১৩ সালে অনুমোদন পাওয়ার পর গাইবান্ধা জেলাতে আমিও কার্যক্রম শুরু করি, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা এবং সংগঠন বৃদ্ধির স্বার্থে গোবিন্দগঞ্জ একটি নতুন অফিস অনুমোদন দেয়, উক্ত অফিসে কর্মী কর্মকর্তাদের নিয়ে এ ধরনের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে যা খুবই দুঃখজনক এবং হতাশাব্যঞ্জক, এ ধরনের সাংবাদিক নামধারী ব্যক্তিরা যদি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মব সৃষ্টি করে,চাদা দাবী করে তাহলে আমরা কিভাবে বীমার কার্যক্রম পরিচালনা করব, কোম্পানির নিয়োগকৃত এক মহিলা কর্মকর্তা বলেন আমি বর্তমানে স্বামী সন্তান সহ সাংসারিক কাজ শেষে বীমার কাজ করতে এসে এখন লজ্জায় মানুষের সামনে যেতে পারছি না, আমি এদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনঅনুযায়ি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির ডিএমডি হাবিবুর রহমান আরিফ বলেন, গোবিন্দগঞ্জ অফিসটি সদ্য কোম্পানি থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, আমার জানামতে এখানে অসামাজিক কোন কার্যকলাপ হয় না ওখানে উপস্থিত যারা ছিলেন সকলেই কোম্পানির নিয়োগকৃত প্রতিনিধি আমি প্রতিমাসে একবার ওখানে যাই এবং নিয়ম তান্ত্রিকভাবে কালেকশন ব্যাংকের মাধ্যমে জমা নিয়ে আসি, যারা এ ধরনের মিথ্যা বানোয়াট ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা সহ কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি।