ডিএসইতে ছাঁটাই-নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ বিএসইসিতে প্রকাশিত: ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ, জুন ৩০, ২০২৬ নিজস্ব প্রতিনিধি : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তিন সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) পুনর্গঠনের নামে চাকরিচ্যুতি এবং শীর্ষ পর্যায়ের নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে তদন্তের আবেদন করেছেন। তাদের দাবি, অনুমোদিত পুনর্গঠন পরিকল্পনা ছাড়াই তাঁদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা লঙ্ঘন, স্বজনপ্রীতি ও অস্বচ্ছতা হয়েছে। গত ২৮ জুন বিএসইসির চেয়ারম্যানের কাছে যৌথ আবেদন করেন ডিএসইর সাবেক তিন ডিজিএম মো. আব্দুর রাজ্জাক, মো. শাহীন সারওয়ার হোসেন ও মো. আব্দুল লতিফ। আবেদনে তারা বলেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো অসদাচরণ, কর্মদক্ষতার ঘাটতি বা শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ ছিল না। তবু গত ২৫ জুন কোনো অনুমোদিত পুনর্গঠন পরিকল্পনা বা সংশোধিত অর্গানোগ্রাম ছাড়াই তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, নোটিশ পিরিয়ড অনুসরণ না করে ১২০ দিনের গ্রস বেতন পরিশোধের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই দিনে তাঁদের কর্মস্থল ছাড়তে বাধ্য করা হয় এবং কম্পিউটার, ই-মেইল ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকারও বন্ধ করে দেওয়া হয়। তিন কর্মকর্তা বিএসইসির কাছে ডিএসইর পুনর্গঠন-সংক্রান্ত বোর্ডের সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট নথি তলব, চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখা, পুনর্বহাল এবং পুরো প্রক্রিয়ার স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই আবেদনে ডিএসইর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ, পদোন্নতি ও অতিরিক্ত ক্যারিয়ার সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাদের দাবি, কয়েকটি নিয়োগে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। আবার কয়েকটি পদোন্নতি অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম ও নমিনেশন অ্যান্ড রেমুনারেশন কমিটির (এনআরসি) সুপারিশ ছাড়াই দেওয়া হয়েছে। কয়েকজন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতির অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত চেয়েছেন আবেদনকারীরা। আবেদনকারীদের ভাষ্য, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়; বরং ডিএসইর করপোরেট সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে সম্পর্কিত। তাঁদের মতে, দেশের প্রধান পুঁজিবাজার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ ও জনবল ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা উপেক্ষা করা হলে তা বিনিয়োগকারীদের আস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। SHARES অর্থনীতি বিষয়: