যমুনা লাইফ দ্রুত সময়ে বীমাদাবি পরিশোধে সাফল্য দেখিয়ে চলছে

প্রকাশিত: ১১:৪৩ অপরাহ্ণ, মে ২৮, ২০২৪

বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের চতুর্থ প্রজন্মের কোম্পানি যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স দ্রুত বীমাদাবি পরিশোধ করার প্রত্যয় নিয়ে গ্রাহকদের প্রতিশ্রুতি পুরণ করে যাচ্ছে শতভাগ।
দাবি উত্থাপনের পর সকল তথ্য ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সঠিক থাকলে যমুনা লাইফের ক্ষেত্র বিশেষে একদিনের মধ্যেই দাবি পরিশোধের প্রমান রয়েছে কোম্পানিটির ।

সাধারনত সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকা সাপেক্ষে কোম্পানিটি ৩ দিন থেকে ৭ দিনের মধ্যে দাবি নিষ্পত্তি সম্পাদন করে থাকে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধ লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবীমার সুবিধা অত্যন্ত সফলতার দিয়ে আসছে,স্বচ্ছতার সাথে দ্রুত সার্ভিস পাওয়ায় সন্তুষ্ট হয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোম্পানিটির সঙ্গে পুনরায় চুক্তি করতেও দেখা গিয়েছে।

কোম্পানির সুযোগ্য পরিচালনা পর্ষদের গৃহীত পদক্ষেপ ও বিশেষ করে অত্যন্ত বিনয়ী, তীক্ষ্ণ জ্ঞ্যান সম্পন্ন গাজী গ্রুপের সম্মানিত পরিচালক ও কোম্পানির চেয়ারম্যান বদরুল আলম খান ও তরুন, গতিশীল, মেধাবী ভাইস চেয়ারম্যান কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ সাবেদুর রহমানের প্রত্যক্ষ ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে যমুনা লাইফের গ্রাহক সেবা নিশ্চিতকরণ, স্বচ্ছতা ও দ্রুত বীমাদাবি পরিশোধে সফল ভূমিকা রাখছে বলেও মনে করেন বীমা শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলে।

আমাদের অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে যে, ২০২০ সালে কোম্পানির বর্তমান সিইও বীমা পেশায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন,অত্যন্ত মেধাবী,সুদক্ষ ও পেশাদার বীমা কর্মকর্তা কামরুল হাসান খন্দকার কোম্পানিতে যোগদানের পর থেকেই যমুনা লাইফ সফলতার মুখ দেখছে ও ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন নেগেটিভ ইস্যুগুলি পজিটিভ হচ্ছে যা কোম্পানি ও বীমাশিল্পের উন্নয়নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বটে, তার বিচক্ষণতা ও দূরদৃষ্টিতার কারণে ইতিমধ্যে কোম্পানিটি এগিয়েছে অনেক দুর।

আরো জানা যায় দ্রুত সময়ের মধ্যে পাবলিক শেয়ারে যাওয়ার বিষয়েও কাজ করছে কোম্পানিটি।

কোম্পানির সিইও ও ক্লেইম ডিপার্টমেন্টের প্রধানের সঙ্গে কথা বলে বিগত কয়েক বছরে বীমাদাবি নিষ্পত্তি ও পরিশোধ সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানে আমরা পাই তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় পর্যায়ে রয়েছে ।

♦২০২১ সালে উত্থাপিত স্বাস্থ্যবীমা দাবি : ৫৩ টি। পরিশোধ হয়েছে ৫৩ টি অর্থাৎ শতভাগ।

♦২০২২ সালে উত্থাপিত স্বাস্থ্যবীমা দাবি: ১২২৬ টি। পরিশোধ হয়েছে ১২২৬ টি অর্থাৎ শতভাগ।

♦২০২৩ সালে স্বাস্থ্যবীমা দাবি উত্থাপিত হয়েছে : ১৯৫১ টি, পরিশোধ হয়েছে শতভাগ ১৯৫১ টি।

♦ ২০২৪ সালে এপ্রিল মাস পর্যন্ত স্বাস্থ্যবীমা দাবি উত্থাপিত হয়েছে : ১১১৭ টি। বিপরিতে দাবি পরিশোধ হয়েছে ৯২৬ টি। বাকি দাবিগুলি পরিশোধের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য এছাড়াও, ৩১-১২-২০২৩ বর্ষ সমাপনী পর্যন্ত যমুনা লাইফে নিষ্পত্তিযোগ্য মৃত্যুদাবি ছিল ১৭ টি, যার মধ্যে পরিশোধ হয়েছে ১১ টি। মৃত্যুদাবি পরিশোধ করা হয় ১৬.০৪ লক্ষ টাকা।
সারভাইভাল বীমাদাবি ছিল ৩০৫ টি, পরিশোধ করা হয় ৩০০ টি। টাকার পরিমান ১.৩৫ কোটি টাকা।

সমর্পণ বীমাদাবি ছিল ৫১ টি, পরিশোধ করা করা হয় ৫১ টি, অর্থাৎ শতভাগ। টাকার পরিমান ৪৮.৫০ লক্ষ টাকা।

ম্যাচুরিটি বা মেয়াদোত্তর বীমাদাবি ছিল ৩৮ টি। পরিশোধ করা হয় ৩৭ টি। টাকার পরিমান ৫০.২৫ লক্ষ টাকা।

গ্রুপ বীমাদাবি ছিল ৪৯৪২ টি। দাবী পরিশোধ করা হয় ৪৩৮৬ টি। টাকার পরিমান ৪.৫৬ কোটি টাকা।
৩১-১২-২০২৩ সাল সমাপনি পর্যন্ত কোম্পানিতে মৃত্যু, সারভাইভাল বেনেফিট, সারেন্ডার, ম্যাচুরিটি, স্বাস্থ্য ও গ্রুপবীমা দাবির মোট সংখ্যা ছিল ৫৩৫৩ টি।

পরিশোধ ও নিষ্পত্তি করা হয় ৪৭৮৫ টি। সর্বমোট পরিশোধিত বীমাদাবির টাকার পরিমান ৭:৫৬ কোটি টাকা।

সকল প্রকার উত্থাপিত বীমাদাবির বিপরীত পরিশোধের হার ৮৯.৩৯ %। অনিষ্পত্তিকৃত বাকি বীমাদাবি গুলি নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তথ্যসূত্রে জানা যায়।