আকিজ তাকাফুল লাইফ এর সিইও পদে আলমগীর চৌধুরীর নিয়োগ আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের প্রকাশিত: ৯:২৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০২৫ নিজস্ব প্রতিনিধি : আকিজ তাকাফুল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদে মোহাম্মদ আলমগীর চৌধুরীর নিয়োগ অনুমোদনের আবেদন ১৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ৩১ ডিসেম্বর বিচারপতি শশাঙ্খ শেখর সরকার ও রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আকিজ তাকাফুল লাইফের চলতি দায়িত্বে থাকা মুখ্য নির্বাহী মোহাম্মদ আলমগীর চৌধুরী এই রিট আবেদন করেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল কুদ্দুস বাদল। রিট আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৮ জানুয়ারি আকিজ তাকাফুল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র ১৬ তম পর্ষদ সভায় মোহাম্মদ আলমগীর চৌধুরীকে কোম্পানিটির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে তিন বছরের জন্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তের আলোকে নিয়োগ অনুমোদনের জন্য আইডিআরএ চেয়ারম্যান বরাবর অনুরোধপত্র পাঠান কোম্পানিটির চেয়ারম্যান শেখ শামীম উদ্দীন। আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই বছরের ১৪ মার্চ নিয়োগ চুক্তির কিছু শর্ত সংশোধনের জন্য চিঠি পাঠায় আইডিআরএ। যা সংশোধন করে ৩ এপ্রিল পুনরায় আবেদন করে আকিজ তাকাফুল। এর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পর ২৩ অক্টোবর আলমগীর চৌধুরীর শিক্ষা সনদের আইনগত প্রামাণকসহ আবেদন করতে চিঠি দেয় আইডিআরএ। ৩০ অক্টোবর প্রমাণক দাখিলের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও মুখ্য নির্বাহী পদে আলমগীর চৌধুরীর নিয়োগ অনুমোদনের আবেদন নিষ্পত্তি না করে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে আইডিআরএ। আবেদনের পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদেক্ষেপ গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাতের চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া পাননি আলমগীর চৌধুরী। জানতে চাইলে “ব্যাংক বীমা অর্থ নিউজ”কে তিনি বলেন, আমার আবেদনটি নিষ্পত্তিতে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তার কারণে শেষ পর্যন্ত নিরূপায় হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। আদালত আদেশের অনুলিপি প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা ২০১২ অনুযায়ী এটি নিষ্পত্তি করতে আইডিআরএ চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে আইডিআরএ এখন পর্যন্ত আদালতের আদেশের অনুলিপি পেয়েছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। SHARES আইন আদালত বিষয়: