ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ ৭ দাবি প্রকাশিত: ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৩, ২০২৬ নিজস্ব প্রতিনিধি : ব্যাংক লুটেরাদের বিচার নিশ্চিতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে এনে ব্যাংকের দায় পরিশোধের দাবি জানিয়েছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। একই সঙ্গে শনিবারের মধ্যে চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি নুরুন নবী মানিক। ফোরামটি গত ১ জুন থেকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুক খানের পুনর্বহালসহ ৭ দফা দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। সংবাদ সম্মেলনে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সম্প্রতি জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অসত্য তথ্য দিয়েছেন। গভর্নর ও মন্ত্রীর বক্তব্যের কারণে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং অনেকে আমানত তুলে নিচ্ছেন। ব্যাংকটিতে আস্থা ফিরিয়ে আনতে চেয়ারম্যানকে অপসারণ এবং জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা এমডি ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়। এদিকে ব্যাংকটির চলমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন গত সপ্তাহে গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর আমানতকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান। জানা গেছে, আমানত প্রত্যাহারের চাপ সামাল দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছে ইসলামী ব্যাংক। ঈদের পর ব্যাংকটি থেকে ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত উত্তোলন হয়েছে বলেও সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরবর্তী সময়ে অনিয়ম ও ঋণসংক্রান্ত নানা অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ব্যাংকটি সংকটে পড়ে। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকটির তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি হয়। সম্প্রতি সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে চেয়ারম্যান নিয়োগের পর একটি পক্ষ গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে আন্দোলন শুরু করে। SHARES অর্থনীতি বিষয়: