সাবেক স্পিকার ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত: ৫:৩৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০২৬

আলী আহসান রবি :

ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই ২০২৬ খ্রি.):

বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ, প্রবীণ আইনজীবী, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার এবং সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি।

আজ এক শোকবার্তায় অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও আইনি জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। দেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সংগঠিত করতে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। দল গঠনের প্রথম পর্যায় থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দেশের রাজনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

মন্ত্রী বলেন, তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবনের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ, আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও জাতীয় সংসদের স্পিকার ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর অবদান জাতি চিরকাল গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

১৯৯০ সালে পঞ্চগড়ে ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারেও তিনি অবদান রেখেছেন। তাঁর এই সুবিশাল কর্মজীবন, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সৃজনশীলতা এবং উচ্চ মানবিক মূল্যবোধ আগামী প্রজন্মের জন্য গভীর অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক, আইনি এবং রাষ্ট্রীয় অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর প্রস্থান জাতির জন্য এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।

মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করেন।