সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য ‘তাকাফুল প্রজন্ম’ প্ল্যান প্রকাশিত: ৪:৫৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০২৬ নিজস্ব প্রতিনিধি : সন্তানের পড়াশোনা, উচ্চশিক্ষা কিংবা কর্মজীবনের শুরু—জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়েই অর্থের প্রয়োজন। সন্তানের ভবিষ্যৎ যেন আর্থিক অনিশ্চয়তায় না পড়ে, সে জন্য আগে থেকেই পরিকল্পনা করেন অনেক অভিভাবক। তাদের কথা মাথায় রেখে গার্ডিয়ান লাইফ এনেছে ‘গার্ডিয়ান তাকাফুল প্রজন্ম প্ল্যান’। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, এ পরিকল্পনায় সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের পাশাপাশি রয়েছে অভিভাবকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে আর্থিক সুরক্ষা। একই সঙ্গে পরিকল্পনার ধরন অনুযায়ী মেয়াদপূর্তির আগের শেষ পাঁচ বছরে কিস্তিতে অর্থ পাওয়ার সুবিধাও রয়েছে। গার্ডিয়ান তাকাফুল প্রজন্ম প্ল্যানে অভিভাবকের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। সন্তানের বয়স হতে হবে ৬ মাস থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। পলিসির মেয়াদ শেষে অভিভাবকের সর্বোচ্চ বয়স হতে পারবে ৭৫ বছর। এ পরিকল্পনায় বীমা অঙ্ক নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকা। প্রিমিয়াম পরিশোধ করা যাবে বছরে একবার অথবা ছয় মাস পরপর। সন্তানের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য অনুযায়ী এ পরিকল্পনায় রয়েছে তিনটি বিকল্প—অ্যাসপায়ার, একাডেমিয়া ও স্টার্ট-আপ। এর মধ্যে একাডেমিয়া ও স্টার্ট-আপ পরিকল্পনায় রয়েছে কিস্তিতে অর্থ পাওয়ার সুবিধা। পলিসির মেয়াদপূর্তির আগের শেষ পাঁচ বছরে নির্ধারিত নিয়মে আংশিক অর্থ পরিশোধ করা হবে। ফলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সন্তানের প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ পাওয়ার সুযোগ থাকছে। প্রজন্ম প্ল্যানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো অভিভাবকের মৃত্যুর পরও পলিসি চালু থাকা। কোম্পানির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পলিসির মেয়াদ চলাকালে অভিভাবকের মৃত্যু হলে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পূর্ণ বীমা অঙ্ক পরিশোধ করা হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের সব প্রিমিয়াম মওকুফ হয়ে যাবে। এরপরও পলিসি পুরোপুরি কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ অভিভাবকের মৃত্যুর পর ভবিষ্যতের প্রিমিয়াম দিতে হবে না। তবে পলিসির মেয়াদ শেষে সম্পূর্ণ মেয়াদপূর্তি সুবিধা পাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। পলিসির মেয়াদ শেষে পাওয়া যাবে বীমা অঙ্কের সঙ্গে গ্যারান্টিড অ্যাডিশন ও জমা হওয়া বোনাস। গ্যারান্টিড অ্যাডিশনের পরিমাণ পলিসির মেয়াদের ওপর নির্ভর করবে। ২০ বছর বা তার কম মেয়াদের ক্ষেত্রে বীমা অঙ্কের ২৫ শতাংশ এবং ২০ বছরের বেশি মেয়াদের ক্ষেত্রে বীমা অঙ্কের ৫০ শতাংশ গ্যারান্টিড অ্যাডিশন হিসেবে যোগ হবে। এর সঙ্গে জমা হওয়া বোনাসও যুক্ত হবে। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, গ্যারান্টিড অ্যাডিশন ও জমা হওয়া বোনাসসহ মেয়াদপূর্তিতে বীমা অঙ্কের সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫ গুণ পর্যন্ত সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। পরিকল্পনায় দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে দ্বিগুণ সুবিধার ব্যবস্থাও রয়েছে। অর্থাৎ দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ঝুঁকির জন্য এ পরিকল্পনায় অতিরিক্ত সুরক্ষা রাখা হয়েছে। পলিসি চালুর পর দুই বছর গেলে সারেন্ডার মূল্য পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজনে পলিসি সারেন্ডার করে নগদ মূল্য নেওয়া যাবে। এ ছাড়া পলিসিকে জামানত হিসেবে ব্যবহার করে ঋণ নেওয়ার সুবিধাও রয়েছে। একটি পলিসির অধীনে একাধিক নমিনি রাখার সুযোগ রয়েছে। ফলে পলিসির সুবিধা কারা পাবেন, তা অভিভাবক নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী নির্ধারণ করতে পারবেন। প্রজন্ম প্ল্যানের লক্ষ্য শুধু মেয়াদ শেষে এককালীন অর্থ দেওয়া নয়। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, সন্তানের প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা এবং কর্মজীবনের শুরু—জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পর্যায়কে আর্থিকভাবে সুরক্ষিত করার বিষয়টি এ পরিকল্পনায় বিবেচনায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে একাডেমিয়া ও স্টার্ট-আপ পরিকল্পনায় মেয়াদপূর্তির আগের শেষ পাঁচ বছরে কিস্তিতে অর্থ পাওয়ার সুযোগ থাকায় সন্তানের শিক্ষা ও কর্মজীবন শুরুর প্রয়োজন মেটাতে এ অর্থ ব্যবহার করা যেতে পারে। মূল পরিকল্পনার সঙ্গে বাড়তি সুবিধা হিসেবে স্বাস্থ্যবীমা (HI) এবং গুরুতর অসুস্থতা বীমা (CI) যুক্ত করা যাবে। ফলে মূল পরিকল্পনার সঙ্গে স্বাস্থ্য ও গুরুতর অসুস্থতার মতো অতিরিক্ত সুরক্ষাও যুক্ত করার সুযোগ থাকছে। তাছাড়া প্রিমিয়ামের বিপরীতে বার্ষিক আয়কর রেয়াত পাওয়ার সুযোগতো থাকছেই। News PhotoCard SHARES অর্থনীতি বিষয়: