সি পার্লের শেয়ার কারসাজি, জরিমানা ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা

প্রকাশিত: ৩:২৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পর্যটন ও অবকাশ খাতের কোম্পানি সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা পিএলসির শেয়ার নিয়ে কারসাজির প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ ঘটনায় পাঁচ ব্যক্তি ও চার প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বিএসইসির তদন্তে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো পরস্পরের সঙ্গে যোগসাজশ করে সি পার্লের শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়। এভাবে তারা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ১৭(ই)(৫) ধারা লঙ্ঘন করেছে।

কারসাজির ঘটনায় প্রগ্রেসিভ হ্যাচারিকে ৮০ লাখ টাকা, মরান বিল্ডার্স অ্যান্ড কনস্ট্রাকশনকে ২০ লাখ, অ্যাগ্রো একরসকে ১ লাখ এবং হরাইজন হারভেস্টকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ ছাড়া একই ঘটনায় আইন লঙ্ঘনের দায়ে মো. আবু সাদাত মো. সায়েমকে ৩০ লাখ, মো. পলাশ মিয়াকে ২০ লাখ, মো. শাহ ইমরান হোসেনকে ৫ লাখ, মো. হাদায়েতুল হককে ১৩ লাখ এবং দেবা সাদাতকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বিএসইসির তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সি পার্লের শেয়ার লেনদেনে এসব অনিয়ম ঘটে। ওই সময়ের শুরুতে, ২৪ এপ্রিল, কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ছিল ৩৬ টাকা ২০ পয়সা। ২৬ জুন তা বেড়ে ৫৫ টাকা ৪০ পয়সায় ওঠে। অর্থাৎ দুই মাসে শেয়ারটির দাম ১৯ টাকা ২০ পয়সা বা প্রায় ৫৩ শতাংশ বেড়েছিল।

তদন্তে সি পার্লের শেয়ার নিয়ে চারটি পৃথক কারসাজির ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে। এসব ঘটনায় লেনদেনের সময়কাল ও আইন লঙ্ঘনের ধরনে মিল রয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসইসি।

এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, সি পার্ল বিচ রিসোর্টের শেয়ার নিয়ে কারসাজির অভিযোগ ছিল। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করা হয়েছে।

বিএসইসি জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফেরাতে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় এনফোর্সমেন্ট বিভাগ পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।

লোকসানেও শেয়ারের দাম বেড়েছিল ৫৩ শতাংশ

সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা ২০১৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির আর্থিক অবস্থাও বেশ কিছুদিন ধরে দুর্বল। চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে, জানুয়ারি-মার্চ সময়ে, কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৮ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল ৪৯ পয়সা।

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৩ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এই লোকসান ছিল ১ টাকা ৮৫ পয়সা।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পর্যটন ও অবকাশ খাতের কোম্পানি সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা পিএলসির শেয়ার নিয়ে কারসাজির প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ ঘটনায় পাঁচ ব্যক্তি ও চার প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বিএসইসির তদন্তে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো পরস্পরের সঙ্গে যোগসাজশ করে সি পার্লের শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়। এভাবে তারা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ১৭(ই)(৫) ধারা লঙ্ঘন করেছে।

কারসাজির ঘটনায় প্রগ্রেসিভ হ্যাচারিকে ৮০ লাখ টাকা, মরান বিল্ডার্স অ্যান্ড কনস্ট্রাকশনকে ২০ লাখ, অ্যাগ্রো একরসকে ১ লাখ এবং হরাইজন হারভেস্টকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ ছাড়া একই ঘটনায় আইন লঙ্ঘনের দায়ে মো. আবু সাদাত মো. সায়েমকে ৩০ লাখ, মো. পলাশ মিয়াকে ২০ লাখ, মো. শাহ ইমরান হোসেনকে ৫ লাখ, মো. হাদায়েতুল হককে ১৩ লাখ এবং দেবা সাদাতকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বিএসইসির তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সি পার্লের শেয়ার লেনদেনে এসব অনিয়ম ঘটে। ওই সময়ের শুরুতে, ২৪ এপ্রিল, কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ছিল ৩৬ টাকা ২০ পয়সা। ২৬ জুন তা বেড়ে ৫৫ টাকা ৪০ পয়সায় ওঠে। অর্থাৎ দুই মাসে শেয়ারটির দাম ১৯ টাকা ২০ পয়সা বা প্রায় ৫৩ শতাংশ বেড়েছিল।

তদন্তে সি পার্লের শেয়ার নিয়ে চারটি পৃথক কারসাজির ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে। এসব ঘটনায় লেনদেনের সময়কাল ও আইন লঙ্ঘনের ধরনে মিল রয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসইসি।

এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, সি পার্ল বিচ রিসোর্টের শেয়ার নিয়ে কারসাজির অভিযোগ ছিল। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করা হয়েছে।

বিএসইসি জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফেরাতে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় এনফোর্সমেন্ট বিভাগ পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।

লোকসানেও শেয়ারের দাম বেড়েছিল ৫৩ শতাংশ

সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা ২০১৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির আর্থিক অবস্থাও বেশ কিছুদিন ধরে দুর্বল। চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে, জানুয়ারি-মার্চ সময়ে, কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৮ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল ৪৯ পয়সা।

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৩ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এই লোকসান ছিল ১ টাকা ৮৫ পয়সা।

অর্থাৎ কোম্পানিটি লোকসানে থাকলেও ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে জুন সময়ে এর শেয়ারের দামে বড় ধরনের উত্থান হয়েছিল। আর ওই সময়ের লেনদেনেই কারসাজির প্রমাণ পেয়েছে বিএসইসি।

অর্থাৎ কোম্পানিটি লোকসানে থাকলেও ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে জুন সময়ে এর শেয়ারের দামে বড় ধরনের উত্থান হয়েছিল। আর ওই সময়ের লেনদেনেই কারসাজির প্রমাণ পেয়েছে বিএসইসি।