৩৩১০ কোটি টাকার দাবি, ফারইস্ট ইসলামী লাইফে আইডিআরএর ৭ নির্দেশনা প্রকাশিত: ১:০৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০২৬ নিজস্ব প্রতিনিধি : ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের কাছে গ্রাহকদের বীমা দাবির পাওনা ৩ হাজার ৩১০ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ দাবি পরিশোধে কোম্পানিটিকে সাত দফা নির্দেশনা দিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। একই সঙ্গে নতুন পলিসি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ১৩ জুলাই দেওয়া আইডিআরএর নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফারইস্ট ইসলামী লাইফ কোনো নতুন পলিসি, অর্থাৎ প্রথম বর্ষের ব্যবসা করতে পারবে না। নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। গ্রাহকদের দাবি পরিশোধে কোম্পানির সম্পদ বিক্রির পথও নির্ধারণ করে দিয়েছে আইডিআরএ। ফেনীতে থাকা কোম্পানির জমি দ্রুত বিক্রি করে সেই অর্থ গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধে ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জমি বিক্রির অর্থ আলাদা ব্যাংক হিসাবে রাখতে হবে। এ অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অডিট ফার্ম আশরাফ উদ্দিন অ্যান্ড কোংকে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। জমি বিক্রির অর্থ থেকে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধের আগে অডিট যাচাই করে টপশিট প্রস্তুত করতে হবে। এরপর আইডিআরএর অনুমোদন নিয়ে ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে গ্রাহকদের টাকা পরিশোধ করতে হবে। এ ছাড়া কোম্পানির সিকিউরিটিজ বন্ডে থাকা ৬ কোটি টাকা সাত কর্মদিবসের মধ্যে নগদায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে জরুরি বীমা দাবি এবং আইডিআরএতে জমা হওয়া অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। ফারইস্ট ইসলামী লাইফের মালিকানাধীন অন্যান্য সব জমি ও ভবন নতুন করে মূল্যায়নের নির্দেশও দিয়েছে আইডিআরএ। এক মাসের মধ্যে এ মূল্যায়ন শেষ করতে হবে। একই সঙ্গে সম্পদ কেনার সময়কার মূল্য এবং বর্তমান মূল্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। কোম্পানির গুলশান, কাকরাইল, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল ও সিলেটে থাকা জমি ও ভবনও দ্রুত বিক্রির ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত বিক্রয় নীতি অনুসরণ করতে হবে। আইডিআরএর নির্দেশনায় ২০২৬ সালের মধ্যে গ্রাহকদের ১ হাজার কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ১০ আগস্টের মধ্যে আইডিআরএকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। বাকি ২ হাজার ৩১০ কোটি টাকার দাবি কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তারও পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা দিতে হবে কোম্পানিটিকে। একই পরিকল্পনায় ফারইস্ট ইসলামী লাইফের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় কমানোর রূপরেখাও থাকতে হবে। এ পরিকল্পনা ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আইডিআরএতে জমা দিতে বলা হয়েছে। News PhotoCard SHARES অর্থনীতি বিষয়: