রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, অর্থবছরে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার প্রকাশিত: ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২৬ নিজস্ব প্রতিনিধি : সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স এসেছে রেকর্ড ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এত বেশি প্রবাসী আয় এর আগে কখনো আসেনি। বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) ১২ মাসে দেশে এসেছে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ লাখ ৩৮ হাজার ১২৮ কোটি টাকার বেশি। এর আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে নগদ প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবা সহজ হওয়া এবং ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত অর্থ পাঠানোর সুযোগ বাড়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। তবে অর্থবছরের শেষ মাস জুনে রেমিট্যান্স কিছুটা কমেছে। প্রাথমিক হিসাবে মাসটিতে দেশে এসেছে ২৮০ কোটি ৬ লাখ ডলার, যা গত সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এছাড়া আগের বছরের জুনের তুলনায়ও রেমিট্যান্স কমেছে। তবে ব্যাংক হলিডের কারণে ১১টি ব্যাংকের তথ্য প্রাথমিক হিসাবে যুক্ত হয়নি। ফলে চূড়ান্ত হিসাবে এ অঙ্ক আরও বাড়তে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি, মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ, এপ্রিলে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ, মে মাসে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ এবং জুনে ২৮০ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির ধারায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে নিট ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ রয়েছে ৩২ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার। SHARES অর্থনীতি বিষয়: